সুক্ষ্মশরীর ভৌতিক।


পূর্ব্বভাগ সুক্ষ্মশরীর ভৌতিক।

Image result for panchabhuta

ভৌতিক পদার্থ মাত্রের সূক্ষ্ম ও স্থূল দুই প্ৰকার অবস্থা দৃষ্ট হয়। স্থূলের সহিত আমরা কাৰ্য্য করতে পারি, সুক্ষ্মের সহিত পারি না। সূক্ষ্ম অবস্থার রূপ বা প্ৰত্যক্ষ নাই, ইহা এক প্রকার নিত্য এবং মহাপ্ৰলয় পর্য্যন্ত স্থায়ী। যেমন ক্ষিতির সূক্ষ্মাবস্থা পরমাণু। জলের সূক্ষ্মাবস্থা বাষ্প। বাষ্প বা পরমাণু আমরা দেখিতে পাই না, কিঞ্চিৎ স্থূল ভাবাপন্ন হইলে বাষ্প ধূমেয় ন্যায় ও পরমাণু রেণুর ন্যায় দেখি। এইরূপ সমস্ত ভূতেরই সূক্ষ্ম অংশ আছে, ইহার দ্বারা গঠিত শরীরকে সূক্ষ্মশরীর বলে। মন, বুদ্ধি, অহঙ্কার, পঞ্চজ্ঞানেন্দ্ৰিয়, পঞ্চকৰ্ম্মেন্দ্ৰিয়, পঞ্চতন্‌মাত্ৰ, এই অষ্টাদশ তত্ত্বের সমষ্টি সক্ষ্মশরীর। মহাপ্ৰলয় পৰ্য্যন্ত স্থায়ী এবং অব্যাহতগতি সূক্ষ্মদেহ, শীলা মধ্যেও প্রবেশ করিতে পারে। এবং ইহলোকও পরলোকগামী। সূক্ষ্মশরীর, মনুষ্য, পশু, পক্ষী, শিলা ও বৃক্ষাদিরূপ স্থূল শরীর ধারণ করে। কখনও স্বৰ্গীয় কখনও নারকী অবস্থা প্ৰাপ্ত হয়। এই শরীরে সুখ দুঃখাদি ভোগ হয়। কিন্তু বিনাশ হয় না। কল্পারম্ভকালে যত গুলি জুন্মিয়াছে তাহারাই প্ৰলয়কাল পর্য্যন্ত স্থায়ী। কল্পান্তের পর পুনশ্চ প্রয়োজন অনুসারে জন্মিবে।

Advertisements

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s