বেদের পরিচয়-১


বেদের পরিচয়- পর্ব-১

(কপি না করে শেয়ার করে সহায়তা করুন)


নব নব আবিস্কারের ফলে অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন কৃত্রিম বাতির আবিস্কার হয়েছে সত্য তবুও সমগ্র জগৎ অন্ধকার-সমাচ্ছন্ন! অজ্ঞানতার ঘনঘোর মহানিশার ক্রোড়ে সমুদয় জীব-জগৎ গাঢ়নিদ্রায় অভিভূত। সহসা প্রাচ্য দিক্‌চক্রবাল(দিগন্ত) অরুণাভ হয়ে উঠল। সারা জগতের পবিত্র-তীর্থ এই ভারতের পুণ্য পঞ্চনদের তীর হতে গভীর উদাত্তস্বরে শাশ্বত প্রশ্ন উচ্চারিত হল- “কস্মৈ দেবায় হবিষা বিধেম”- কে সেই দেবতা? কাহাকে হবি প্রদান করব?
চিরন্তন প্রশ্ন! ভারতের আকাশ বাতাস কম্পিত করে-পঞ্চনদের বুক মথন করে- এই প্রশ্ন হিমালয়ের কন্দরে কন্দরে ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরতে লাগল। ভারতের বুকে এই প্রশ্ন প্রথম জেগেছিল- কে সেই দেবতা, কাকে পূজা করব? বিশ্বমানবের এই আকুল জিজ্ঞাসা সর্ব্বপ্রথম উত্থিত হল যে পূণ্যতীর্থে, সেখানেই মিলল এর উত্তর ও এর সমাধান; এবং এই অভিনব আবিষ্কারের তীব্র আনন্দে যাঁদের দেহের শোণিত-প্রবাহ রক্তিমরাগে রঞ্জিত হয়ে উঠল, তাঁহারা এই ভারতের আর্য্য সন্তান-পুণ্যশ্লোক মন্ত্রদ্রষ্টা সর্ব্বত্যাগী মহর্ষিগণ। তাঁদের মুখনিঃসৃত সনাতন ও অপৌরুষেয় বাণী হিন্দুস্থানের স্বাধ্যায়নিষ্ঠ হিন্দুর মুখে মুখে ফিরতে লাগল। এই ধ্রুতমন্ত্রের ধ্যান ও ধারণা হতে পৃথিবীর যে পরম মঙ্গলকর বিশ্ব-ধর্ম্মের সৃষ্টি হইল, তারই নাম বৈদিক সনাতন ধর্ম/হিন্দু-ধর্ম। শ্রুতি বা বেদের উপর মূলভিত্তি করেই এই ধর্মের সৃষ্টি।
ক্রমশঃ-

Advertisements

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s