বেদের পরিচয়- ১৪


বেদের পরিচয়- ১৪


সৃষ্টির প্রথম হতে আজও পর্য্যন্ত পারমার্থিক ভারতের বৈদিক ব্রাহ্মণগণের মধ্যে পুরাতন পরম্পরা রীতি চলে আসছে। গুরু সমগ্র বেদমন্ত্র শিষ্যকে বলেন এবং শিষ্য সেই শ্রুত মন্ত্র সমুদায় একাদশ প্রকারে অভ্যাস করে বিশুদ্ধ ভাবে স্মৃতিপটে রক্ষা করে আসছেন। এখনও ভারতে এমন বৈদিক ব্রাহ্মণ আছেন যে, আজ যদি সমস্ত বেদগ্রন্থ অগ্নিতে ভস্মীভূত হয় তাহলেও বেদ নষ্ট হবে না- অর্থাৎ সেই সকল বৈদিক ব্রাহ্মণ গণের কণ্ঠ হতে শিষ্য পরম্পরায় শ্রৌতপথে বর্ত্তমান থাকবে। এমন কি, এখনও যে সকল ব্যক্তি বেদের সংহিতাভাগ মুদ্রণ করেন, তার বর্ণশুদ্ধি, সুর-স্বর, উদাত্ত-অনুদাত্ত-স্বরিত চিহ্নাদি এই প্রাচীন পন্থাবলম্বী পণ্ডিতগণ তাঁদের স্মৃতি হতেই সংশোধন করে থাকেন। মুদ্রাকর-প্রমাদ অনেক হতে পারে, কিন্তু বৈদিকগণের শ্রৌতপন্থায় প্রাপ্ত বেদ বিশুদ্ধই আছে। আমরা যদি বেদ “বেদপাঠ বিধি” সম্বন্ধে আলোচনা করি তাহলে সহজেই বুঝতে পারবো কিভাবে এই বিশুদ্ধতা বজায় থাকে।

এ প্রকার বেদের যদি কালগত সময় নির্দ্দেশ করতে হয়, তাহলে জগৎউৎপত্তির সময় হতেই বেদ জগতে প্রকাশিত বলতে হবে।
ক্রমশঃ-

Advertisements

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s