সনাতন ধর্মের গ্রন্থাবলী এবং মার্গ


আমার উল্লেখিত গ্রন্থ গুলি ছাড়াও আরও বিভিন্ন গ্রন্থ আছে আমি আমার জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে প্রধান গ্রন্থ এবং মার্গ গুলি উল্লেখ করতে চেষ্টা করলাম …
 
সনাতন ধর্মে তিনটে জিনিসের উপর জোর দেওয়া হয়েছে শাস্ত্র, আচার্য এবং বিচার , অর্থাৎ শুদ্ধ শাস্ত্র জ্ঞান জ্ঞানী আচার্য এর নির্দেশানুসারে এবং অন্তরের শুদ্ধ বিচার বোধ দ্বারা প্রক্ষালন করলে তবেই ধর্মের সুমধুর ননী লাভ হয় ।
এই শাস্ত্র গুলিকে মূলত দুই ভাগে বিভক্ত শ্রুতি ও স্মৃতি।
 
শ্রুতিঃ- প্রাচীন ঋষি এই বাহ্যিক জগতের ঊর্ধ্বে উঠে সূক্ষ্ম জগতের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যে জ্ঞান লাভ করেন এবং গুরু শিশ্য পরম্পরায় তা সুর করে গাওয়া হতো, একেই বলে শ্রুতি অর্থাৎ যা শোনা হয়েছিল অপর নাম অপৌরুষয় অর্থাৎ যা মানুষ দ্বারা সৃষ্ট নয়।
এই শ্রুত কিন্তু মানুষ সৃষ্ট নয়, এই ব্যাপারটা অনেকে বোঝেন না। তাঁদের জন্য বলি আমরা প্রতিদিন যে সব শব্দ শুনি তা হত বা একটি জিনিসের সঙ্গে অন্য জিনিসের সংঘর্ষে সৃষ্ট শব্দ (দাঁতের সঙ্গে জিভের বা জিভের সঙ্গে মূর্ধার)। কিন্তু প্রাচীন ঋষি গন তাঁদের গভীর চিন্তনে যা শুনেছেন তাকে বলে অনাহত শব্দ অর্থাৎ আমাদের কানের শ্রবণ যোগ্য ফ্রিকোইনসির নিচের বা উপরের শব্দ অর্থাৎ কোনও কিছুর ঘাত প্রতিঘাতে এই শব্দর উৎপত্তি হয়নি, এই শব্দ শাশ্বত অনাদি তাই একে অপৌরুষয় বলে।( আজকের যুগের হিশাবে আমরা যেমন কসমিক বেকগ্রাউন্ড সাউন্ড শুনি যা কটি কটি বছর আগের বিগ ব্যাং এর সৃষ্ট মাইক্রো ওয়েভ সাউন্ড)
একেই বলে বেদ/वेद বা জ্ঞান, বৈদিক সাহিত্যর দিক থেকে এটি প্রাচীনতম সাহিত্য। আধুনিক বিজ্ঞানীদের মতে এর প্রথম দিকের খণ্ড গুলির রচনা কাল আনুমানিক ১৫ হাজার বছর আগে (পাঠ্য বইয়ের হিশাবে প্রায় নিয়ান্দারথাল মানুষের সময় কাল, শেষ হিম যুগের আগে)।
বেদের ব্যবহারিক ভাবে চার ভাগে ভাগ করা যায় ১/ঋক বেদ ২/সাম বেদ ৩/ যজু বেদ এবং ৪/অথর্ব বেদ।
আবার প্রতিটি বেদের গঠন গত ভাবে চার ভাগে ভাগ করা যায় ১ সংহিতা ২ ব্রাহ্মণ ৩ আরণ্যক এবং ৪ উপনিষদ।
সংহিতা এই অংশে আক্ষরিক অর্থ সহ বা অর্থবোধ ছাড়া মন্ত্র, সাধারণ ভাষণ, প্রার্থনা, প্রার্থনা-সংগীত ও আশীর্বচন সংকলিত রয়েছে। এগুলি প্রকৃতি বা বৈদিক দেবদেবীদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গিত। বৈদিক সংহিতা বলতে বোঝায় গাণিতিক নিয়মে নিবদ্ধ ছন্দে রচিত । বেদের লিখিত পদ গুলি কে মন্ত্র বলে কেবল যজুঃসংহিতার কিছু অংশ গদ্যে রচিত।ঋক বেদে আছে দেবস্তুতি, প্রার্থনা ইত্যাদি। ঋক্‌ মন্ত্রের দ্বারা যজ্ঞে দেবতাদের আহ্বান করা হয়, যজুর্মন্ত্রের দ্বারা তাঁদের উদ্দেশে আহুতি প্রদান করা হয় এবং সামমন্ত্রের দ্বারা তাঁদের স্তুতি করা হয়। অথর্ব-বেদ থেকে পাওয়া যায় তৎকালীন চিকিৎসাবিদ্যার একটি বিস্তারিত বিবরণ। এসব কারণে বেদকে শুধু ধর্মগ্রন্থ হিসেবেই নয়, প্রাচীন ভারতের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সাহিত্য ও ইতিহাসের একটি দলিল হিসেবেও গণ্য করা হয়।
 
ব্রাহ্মণঃ-
ব্রাহ্মণ মূলত বেদমন্ত্রের ব্যাখ্যা। এটি গদ্যে রচিত এবং প্রধানত কর্মাশ্রয়ী। আরণ্যক কর্ম-জ্ঞান উভয়াশ্রয়ী এবং উপনিষদ বেদান্ত সম্পূর্ণরূপে জ্ঞানাশ্রয়ী।
বেদের বিষয়বস্তু সাধারণভাবে দুই ভাগে বিভক্ত কর্মকাণ্ড ও জ্ঞানকাণ্ড। কর্মকাণ্ডে আছে বিভিন্ন দেবদেবী ও যাগযজ্ঞের বর্ণনা এবং জ্ঞানকাণ্ডে আছে ব্রহ্মের কথা। কোন দেবতার যজ্ঞ কখন কিভাবে করণীয়, কোন দেবতার কাছে কি কাম্য, কোন যজ্ঞের কি ফল ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের আলোচ্য বিষয়।
আর ব্রহ্মের স্বরূপ কি, জগতের সৃষ্টি কিভাবে, ব্রহ্মের সঙ্গে জীবের সম্পর্ক কি এসব আলোচিত হয়েছে জ্ঞানকাণ্ডে। জ্ঞানকাণ্ডই বেদের সারাংশ।জ্ঞানকাণ্ডের এই তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীকালে ভারতীয় দর্শনচিন্তার চরম রূপ উপনিষদের বিকাশ ঘটেছে। এসব ছাড়া বেদে অনেক সামাজিক বিধিবিধান, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, শিল্প, কৃষি, চিকিৎসা ইত্যাদির কথাও আছে। এমনকি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কথাও আছে।
এই উপনিষদ গুলি সংখ্যার হিশাবে প্রায় একশোটা আছে কিন্তু যে গুলিকে মুখ্য উপনিষদ হিশাবে আদি গুরু শঙ্করাচর্য্য ব্যাখ্যা করেছেন এবং কমেন্টারি বা সূত্র সাহিত্য রচনা করেছেন সেই ১২ উপনিষদ কে স্মৃতি শাস্ত্রজ্ঞ গন প্রধান উপনিষদ বলে বিবেচনা করেন৷
আমি সেই গুলির নাম উল্লেখ করছি ১/কৌশিকতি ২/ কেনও ৩/ কঠ ৪/ তৈত্তিরীয় ৫/ শ্বেতাশ্বেতর ৬/ মৈত্রেয়আনি ৭/ঈশ ৮/ বৃহদারণ্যক ৯/ মান্ডুক্য ১০/ মুন্ডক ১১/ প্রশ্ন ১২/ ঐতরেয়। এই ঐতরেয় উপনিষদটি ঋগ্বেদ এর অংশ হওয়া সত্যেও তেমন জনপ্রিয় নয় তাই শেষে উল্লেখ করলাম।
 
এই চার বেদ ছাড়াও কয়েকটি উপবেদ কে পাই আমরা , সেগুলি হলো …
১) আয়ুর্বেদ ২) ধনুর্বেদ ৩) বাস্তুবেদ ও
 
৪) বৈমানিক শাস্ত্র নামে একটি শাস্ত্রশাস্ত্রও পাই যাতে বিভিন্ন বিমান তথা উড্ডয়ন বিদ্যা নিয়ে গভীর আলচনা পাই , কিন্তু মূল বেদটি পাওয়া যায়না৷
 
স্মৃতিঃ- অর্থাৎ যা পূর্বে ঘটে ছিল বা ইতিহাস, অর্থাৎ পূর্বের ঘটনা বলি এবং তার বর্ণনা সমূহ। যেমন রামায়ণ মহাভারত এবং পুরাণ সমূহ পড়ে। এখানে অবশ্য উল্লেখ্য যে তবে বর্তমানে যে পুরাণ গুলি আমরা পাই সেই গুলির বেশির ভাগই ভারতে মুসলিম আগমনের পটভূমিকায় সংকলিত এবং পরিবর্ধিত হয়েছে ফলে বহু চূতি এবং ভ্রমের শিকার এই নব্য পুরাণ গুলি। মৎস্য পুরাণ, সূর্য পুরাণ, স্কন্দ পুরাণ, পদ্ম পুরাণ, নারসিংহ পুরাণ, বিষ্ণু পুরাণ , লিঙ্গপুরাণ, কালিকা পুরাণ এগুলির মধ্যে অন্যতম। এর অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য গ্রন্থগুলি হল দেবীমাহাত্ম্যম্, তন্ত্র, যোগসূত্র, তিরুমন্ত্রম্, শিবসূত্রএবং হিন্দু আগম। মনুস্মৃতি হল একটি প্রচলিত নীতিগ্রন্থ, যা সামাজিক স্তরবিন্যাসের উপর নিবন্ধিত সামাজিক নিয়মাবলী, যা ছিল বর্ণাশ্রমের আধার তা আজ কলুষিত হয়ে হয়েছে বর্ণ বিদ্বেষের বীজ, যাই হোক সেই সব অন্য বিষয়।
 
মার্গঃ-
এই বিভিন্ন ভাবে বিচার ও বিশ্লেষণের জন্য দর্শন শাস্ত্রের ছয় ভাগে বিভক্ত মার্গ বা পথ আছে, এই গুলির নাম
১ ন্যায় ২ বৈশেষিক ৩ শাঙ্খ ৪ পতঞ্জলি যোগ সূত্র ৫ পূর্ব মীমাংসা ৬ উত্তর মীমাংসা ।
 
১ ন্যায়ঃ- এখানে যুক্তি ও তর্কের পদ্ধতির বিচার করা হয়েছে, অর্থাৎ এই বাস্তবতা কে বিশ্লেষণ করতে যে যুক্তি এবং পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হবে তার মার্গ নির্দেশক।
 
২ ভিসেশিকাঃ- আজকের যুগে একে বলা যায় ফিজিক্স, কারণ এখানে পদার্থের পরমাণু এবং তার মূল ভুত অবস্থার বিচারের মাধ্যমে বাস্তবতাকে বুঝবার চেষ্টা হয়েছে।
 
৩ শাঙ্খঃ- শাঙ্খ এর অর্থ সংখ্যা অর্থাৎ এখানে এই প্রপঞ্চময় বাস্তবতার মূল ভুত যে ২৪ রকমের বাস্তবতা কে নিয়ে বিচার এবং বিশ্লেষণের দ্বারা এই জগতের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে। এখনে দুই ধরনের বাস্তবতা কে সোপান হিশাবে ধরা হয় ১ পুরুষা ২ প্রকৃতি। পুরুষা বা পুরুষ অর্থে এই ত্রিলোক ব্যাপ্ত চেতনা যার আলোয় এই জগত আলোকিত এবং প্রকৃতি অর্থে আপাতও চেতনা রহিত বস্তু, অর্থাৎ এই স্পর্শ যোগ্য জগত।
 
৪ পতঞ্জলি যোগ সূত্রঃ- ঋষি পতঞ্জলি প্রণীত অষ্টাঙ্গ যোগা এর মূল বিষয়, ১৯৫ টি যোগ সূত্র বিশিষ্ট এই পতঞ্জলি যোগ সূত্র। এর মূল ভুত পদ্ধতি এই যে স্পর্শ যোগ্য এই জগত অনুধাবন করতে প্রকৃতি সৃষ্ট এই শরীরকে সিঁড়ি হিশাবে ব্যবহার এবং ধীরে ধীরে শ্বাস বায়ু থেকে শুরু করে মানব দেহের উপর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা চেতনার গভীরে প্রবেশ করে এই দেহের তথা এই জগতের ঘটনা স্রোতের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রণয়ন করা এবং তার দ্বারা এই মায়া প্রপঞ্চ ছিন্ন করে সত্যর মুখো মুখি হওয়া। এই পতঞ্জলি যোগ সূত্র শাঙ্খ এর উপর ভিত্তি করে সৃষ্ট অর্থাৎ এই দৃশ্যমান জগতের দ্বৈত চেতনার উপর নির্ভর শীল। কিন্তু শাঙ্খ তে ঈশ্বরের উল্লেখ নেই কিন্তু যোগ সূত্রে ঈশ্বরের বিশেষ উপস্থিতি আছে। এখানে ঈশ্বর মনের আরাধ্য এবং এক মাত্র লক্ষ্য যার চেতনা উপলব্ধির মাধ্যম এই যোগ সূত্র।
 
৫ পূর্ব মীমাংসাঃ- এই স্থানে পুরহিত এবং ঋষি গনের যাগ, যোগ্য এবং হোম এর পদ্ধতি এবং ক্রিয়া কলাপ বর্ণিত আছে। কি পদ্ধতিতে এই ক্রিয়া কলাপ দ্বারা অভীষ্ট লক্ষ্য বা কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ হবে।
 
৬ উত্তর মীমাংসাঃ-
বেদের শেষে যেহেতু এই অংশটি হয় তাই একে বেদান্তও বলে। এই খানে বেদের সার বা প্রতিটি বেদের নিচোর বা জিস্ট বলা যেতে পারে। এই বেদান্ত সমূহে যে পদ্ধতিতে লেখা হয়েছে তাকে বলে সূত্র বা সুতো অর্থাৎ বহু তুলো বুনে যেমন একটি সুতো তৈরি হয়, তেমনই বহু চিন্তনের প্রকাশ ঘটেছে একটি বা দুটি শব্দের মধ্যে দিয়ে। ফলে একে বুঝতে গেলে এবং আধ্যাত্মিক এবং তাত্ত্বিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ গুরুর সাহায্য লাগে। ফলে এই বেদান্ত সমূহের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যার বা ভাষ্যর দিক থেকে তিন মহান ঋষির নাম এর সঙ্গে জড়িয়ে আছেন, তাঁরা হলেন শঙ্করাচার্য্য, রামানুজাচার্য্য এবং মাধভাচার্য্য। মূলত এই তিনজনের ব্যাখ্যা সনাতন ধর্মের মূল ভাব ধারা প্রকাশ করে। তবে এরা ছাড়াও আরও অনেক মহান ঋষি এই বেদান্ত বা উত্তরমীমাংসার ভাষ্য করেছেন কিন্তু এঁদের ভাষ্যই সনাতনের মূলভুত তত্ত্ব গুলি উজাগর করে।
এই বেদান্ত সমূহের মূল আলোচ্য বিষয় হোল এই দৃশ্যমান বাস্তবের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যার মধ্যে দিয়ে অন্তর্নিহিত বাস্তবতার উপর আলোকপাত করা। এই সুগভীর গ্রন্থ গুলি শুধু ধার্মিক গ্রন্থ বললে খুবই অন্যায় হবে, আধ্যাত্মিক চিন্তার মধ্যদিয়ে এই গুলি যে গভীর বৈজ্ঞানিক দৃষ্টি ভঙ্গি তুলে ধরেছে তা আজকের যুগেরও যেকোনো সাইন্সের মানুষের কাছে পরম বিস্ময়কর।
এই দৃশ্যমান বাস্তব কে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তাঁরা যে পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছেন তা বিস্ময় কর। এই দৃশ্যমান বাস্তব কি সত্য না নিছক ভ্রম, ঈশ্বর কি আছেন যদি থাকেন তবে কি রূপে কোথায় তিনি অবস্থান করেন, ঈশ্বরের বৈশিষ্ট্য বা চিন্তনের কি রূপ এই রকম বহু ফিজিক্স এবং মেটা ফিজিক্স এই চিন্তনের ফসল এই এই বেদান্ত সমূহ। এই নিয়ে দশহাজার বছরের নিরন্তর ভাব বিনিময় এবং তর্কের মাধ্যমে যে সিধান্তে এই মহান ঋষি গন উপনীত হন তাই তাঁদের ভাষ্যের বিষয় বস্তু। এই দর্শন কথাটি এই বিভিন্ন ভাবে এই বাস্তবকে ব্যাখ্যা করবার বা দ্যাখ বার কথা বলা হয়।
এই নিরন্তর বিচার এবং চিন্তনের অবজেক্টিভ বা উদ্দেশ্য হোল মোক্ষ, অর্থাৎ এই আপাত প্রপঞ্চ(epiphenomena অর্থাৎ আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে যা বারংবার বোকা বানাচ্ছে) ময় জগত হতে নিষ্ক্রমণ এবং ব্রহ্মনে মিশে যাওয়া (Transcendental reality)। অর্থাৎ যে চেতনা (Consciousness) হতে এই জগত সৃষ্টি হয়েছে তাতেই মিশে যাওয়া। এবং এইখানেই অন্য সব ধর্মের থেকে ভিন্ন হয়ে ওঠে সনাতন ধর্ম। এখানে স্বর্গ লাভ কালদোষে দুষি তাই সর্গ লাভ নয়, এই জন্ম মৃত্যু থেকে চিরো মুক্তি খোঁজে সনাতন ধর্ম।
ফলে মোটা ভাবে বলতে গেলে বলতে হয় সনাতন ধর্ম বলে আমরা যা কিছু আমাদের অনুভূতির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করছি যে ব্যক্তি স্বতন্ত্রতা, এই সময় ও স্থান কাল পাত্রের দূরত্ব এবং সময়। এই সব কি সত্যি? আমি যা কিছু প্রত্যক্ষ করছি তার মাঝে আমার অবস্থান কি? কি ভাবে এই আপাত বাস্তবতার মাঝে আমি আমার গন্তব্য স্থির করব? এবং এই চিন্তনের দ্বারা তাঁরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হচ্ছেন এই আপাত বাস্তবতার বাইরে আছে আরেক বাস্তবতা আর তার খোঁজই করে এই সূত্র এবং এই সূত্রের ব্যাখ্যা দান করে এই ভাষ্য।
 
ব্রহ্মসূত্রঃ-
এছাড়া এই উত্তর মীমাংসায় ব্রহ্মসূত্র আরেক বিশেষ গ্রন্থাবলী, ব্রহ্মসূত্র হল ন্যায় প্রস্থান বা যুক্তি ভিত্তিক প্রস্থান।
অর্থাৎ বেদান্ত দর্শনে তিনটি প্রধান ধর্ম গ্রন্থকে বোঝানো হয়
1. উপনিষদ বা উপদেশ-প্রস্থান বা শ্রুতি-প্রস্থান
2. ব্রহ্মসূত্র বা ন্যায়-প্রস্থান বা যুক্তি-প্রস্থান
3. শ্রীমদ্ভগবদগীতা, বা সাধন-প্রস্থান বা স্মৃতি-প্রস্থান
 
এই তিন গ্রন্থ সমূহকে বলে প্রস্থানত্রয়ী বা प्रस्थानत्रयी।
লিখেছেন- সঞ্জয় চক্রবর্ত্তী।
বৈদিক ভারত
Advertisements

সনাতন ধর্মীয় গ্রন্থ সমূহ


sanatan dharma grantha title

গ্রন্থের নাম

রচয়িতা-প্রকাশক

ডাউনলোড লিংক

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা যথাযথ  ইসকন ডাউনলোড
 গীতসংহিতা ডাউনলোড
 ব্রাহ্মধর্ম্ম  কলিকাতা প্রেসিডেন্সি যন্ত্র থেকে ১৯১৮ সালে প্রকাশিত।  ডাউনলোড
 হিন্দুধর্ম্মের নবজাগরণ  স্বামী বিবেকানন্দ, প্রকাশক-ব্রহ্মচারী গণেন্দ্রনাথ,কলিকাতা। ডাউনলোড
কালিকুতূহলনামক গ্রন্থ  গদ্যপদ্যে বাংলায় অনুবাদ করেছেন শ্রীযুক্ত শ্রীনারায়ণ চট্টরাজ গুণনিধিকর্তৃক . ডাউনলোড
 বেদান্ত গ্রন্থ রাজা রামমোহন রায় প্রণীত  ডাউনলোড
শ্রীশ্রীতারকেশ্বর মাহাত্ম বা শিব-সংকীর্ত্তণ: শ্রীপ্রাণবল্লভ মুখোপাধ্যায় প্রণীত, শ্রীজটিলাল দত্ত বি,এ দ্বারা প্রকাশিত ।  ডাউনলোড
শিব সংহিতা  শ্রীমন্নন্দকুমার কবিরত্ন ভট্টাচার্য্য কর্তৃক অনুবাদিত, শ্রীকৈলাসচন্দ্র বন্দোপাধ্যায় সংশোধনানন্তর শ্রীনৃত্যলাল শীলের আদেশক্রমে ১২৮৬ সালে কলিকাতার এন্,এল্, শীলের যন্ত্রে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। ডাউনলোড
Shri Krishna Samhita (Bengali)   ডাউনলোড
 Vaishnava Padavali (First Edition)   ডাউনলোড
 Sri Krishna-Bhavanamritam Mahakavyam (Bengali Translation Only).   ডাউনলোড
Gita -Talks in Bengali   ডাউনলোড
মুন্ডক উপনিষদ
  ডাউনলোড
সীতা  (মহর্ষি বাল্মীকি প্রণীত রামায়নের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা ও প্রধান প্রধান ব্যক্তিগণের চরিত্র সমালোচনা সমেত, জগৎপুজ্যা সীতাদেবীর অলৌকিক জীবনের ধারাবাহিক বিবরণ, চরিত্র সমালোচন ও মাহাত্ম্য-কীর্ত্তন। ডাউনলোড
শ্রীশ্রীকালীকীর্ত্তন  কবিরঞ্জন রামপ্রসাদ সেন প্রণীত, ১৭৭৭ শক কলিকাতা নিউ প্রসে যন্ত্রলয়ে মুদ্রিত। ডাউনলোড
শ্রীশ্রীগয়ামাহাত্ম্য (অর্থাৎ বায়ুপুরাণান্তর্গত অষ্টাধ্যায় পুস্তক)-  শ্রীনন্দকুমার কবিরত্ন ভট্টচার্য্য সমুল গৌড়ীয় সাধুভাষায় প্রতিভাষিত, ১৭৮৭ সালে কলিকাতা বিদ্যারত্ন যন্ত্রে মুদ্রিত। ডাউনলোড
শ্রীশ্রীমৎপদ্মপুরাণম্-(সৃষ্টি-ভূমি স্বর্গপাতালোত্তরখন্ডপঞ্চকম্)  শ্রীশ্রীমন্মহর্ষি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস প্রণীতম্। শ্রীমৎকেদারনাথ ভক্তিবিনোদেন সম্পাদিতম্, শ্রীরাধিকাপ্রসাদ দত্তেন প্রকাশিতম্।  ডাউনলোড
অপ্রাকৃত কৃষ্ণ প্রসাদ ডাউনলোড
শিব পুজা পদ্ধতি ডাউনলোড
 শ্রীশ্রীলক্ষ্মীপূজাপদ্ধতি ও ব্রতকথা ডাউনলোড
 শ্রীরামকৃষ্ণ লীলা প্রসঙ্গ ডাউনলোড
 শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত ডাউনলোড
 ধর্ম পুজা বিধান  ডাউনলোড
 দাশরথির পাঁচালী ডাউনলোড
 উপনিষদ গ্রন্থাবলী ডাউনলোড
 রামায়ণ ডাউনলোড
 মহাভারত-মহর্ষি  কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস ডাউনলোড
 পুরাণ প্রবেশ ডাউনলোড
শ্রী গুরুদেব ও তাঁর করুনা শ্রীল ভক্তিরক্ষক শ্রীধর দেবগোস্বামী মহারাজ ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ডাউনলোড
ওঁ তৎ সৎ
পবিত্র বেদ সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায়
Rig Veda Samhita ( ঋগ্বেদ সংহিতা ) ডাউনলোড
RigVedaSamhitaVol-4( ঋগ্বেদ সংহিতা- চতুর্থঅধ্যায় ) ডাউনলোড
Sam Veda Samhita ( সামবেদ সংহিতা ) ডাউনলোড
Yajur Veda Samhita( যজুর্বেদ সংহিতা ) ডাউনলোড
Atharva Veda samhita (অথর্ব বেদ সংহিতা ) ডাউনলোড
ওঁ তৎ সৎ
পুরাণ সমূহ সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায়
১/ অগ্নি পুরাণ    Agni Puran ডাউনলোড
২/ ভাগবত পুরাণ Bhagvat Puran ডাউনলোড
ভবিষ্যৎ পুরাণ Bhavishya Puran ডাউনলোড
৪/ ব্রহ্মা পুরাণ Brahma Puran ডাউনলোড
৫/ ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ  Brahmand PuranI ডাউনলোড
৬/ গড়ুঢ় পুরাণ Garuda Puran ডাউনলোড
৭/কূর্ম পুরাণ Kurma Puran ডাউনলোড
৮/ লিঙ্গ পুরাণ  Ling Puran ডাউনলোড
৯/ মার্কণ্ডেয় পুরাণ Markandya Puran ডাউনলোড
১০/ মৎস্য পুরাণ Matsya Puran ডাউনলোড
১১/ নারদ পুরান Narad Puran ডাউনলোড
১২/ পদ্ম পুরান Padma Puran ডাউনলোড
১৩/ শিব পুরান Shiv Puran ডাউনলোড
১৪/ স্কন্দ পুরাণ Skand Puran ডাউনলোড
১৫/ ব্রহ্মবৈর্বত পুরান BrahmVaivatra Puran ডাউনলোড
১৬/ বামণ পুরাণ Vaman Puran ডাউনলোড
১৭/ বরাহ পুরাণ Varah Puran ডাউনলোড
১৮/ বিষ্ণু পুরাণ Vishnu Puran ডাউনলোড

গ্রন্থের তালিকা আপডেটঃ- ৩০/০৫/২০১৫ইং

  1. Aadarsh Nari Sushila (Bengali)
  2. Aadhyatm Sadhnay Karmhinta Nay (Bengali)
  3. Amader Lakshya Aur Kartyabo (Bengali)
  4. Amrit Vindu (Bengali)
  5. Bhagwater Manimukter (Bengali)
  6. Bhagwat Geeta Evam Vishnu Sahstra Naam (Bengali)
  7. Bhagwat Mahapuran (Bengali)
  8. Bhagwat Prapti ka Phal (Bengali)
  9. Bhagwat Ratnawali (Bengali)
  10. Chaitanya Charitamrit (Bengali)
  11. Desh ki Vartman Dasha Tatha Uska Parinam (Bengali)
  12. Durga Saptashloki (Bengali)
  13. Garbhpat Uchit Ya Anuchit (Bengali)
  14. Garun Puran (Bengali)
  15. Geeta Darpan (Bengali)
  16. Geeta Madhuryo (Bengali)
  17. Geeta Rasamrit (Bengali)
  18. Geetar Saratsar (Bengali)
  19. Grahath Me Kaise Rahe (Bengali)
  20. Hai kaha Jeevean Hai Kaha Maran (Bengali)
  21. Ishaopnisad (Bengali)
  22. Ishadi No Upnishad (Bengali)
  23. Ishwar Aur Dharm Kyo (Bengali)
  24. Jeevan Upyogi Pravachan (Bengali)
  25. Kalika Puran (Bengali)
  26. Kalyankari Pravachan (Bengali)
  27. Kalyan Prapti Ke Upaye (Bengali)
  28. Karm Rahasya (Bengali)
  29. Kathopnisad (Bengali)
  30. Kenaopnisad (Bengali)
  31. Kratiwasi Ramayan (Bengali)
  32. Kya Guru Bina Mukti Nahi (Bengali)
  33. Mahabharat (Bengali)
  34. Manav Matra Ke Kalyan Ke Liye (Bengali)
  35. Mundkopnisad (Bengali)
  36. Mundkopnisad (Bengali)
  37. Narad Bhakti Sutra (Bengali)
  38. Parmarth Patrawali (Bengali)
  39. Parlok Aur Punar Janam (Bengali)
  40. Patanjal Yog Darshan (Bengali)
  41. Prem Bhakti Prakash (Bengali)
  42. Ram Charit Manas (Bengali)
  43. Saadhnaar Manbhumi (Bengali)
  44. Sab Sadhano Ka Saar (Bengali)
  45. Sadhak Sanjivani (Bengali)
  46. Sadhan Samar (Bengali)
  47. Satya Sahsi Balak Balikader Katha (Bengali)
  48. Sharnagati (Bengali)
  49. Shiksha Mool Kahaniya (Bengali)
  50. Shiv Puran (Bengali)
  51. Shrimad Bhagwat Geeta (Bengali)
  52. Shrimad Bhagwat Geeta (Satik Bengali)
  53. Shrimad Bhagwat Geeta Tatwavivechani (Bengali)
  54. Strotra Ratnawali (Bengali)
  55. Sundar Kand (Bengali)
  56. Tatwa Gyan Kaise Ho (Bengali)
  57. Tatwik Pravachan (Bengali)
  58. Valmiki Ramayan (Bengali)
  59. Vayu Puran (Bengali)
  60. Vishnu Puran (Bengali)
  61. Vivek Chooramani (Bengali)